স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের আগে নতুন আইনি জটিলতায় জড়ালেন লিওনেল মেসি এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি আদালতে তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম টিএমজেড এ তথ্য জানিয়েছে। মামলাটি করেছে মায়ামিভিত্তিক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ভিআইডি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট (ভিআইডি), যারা ক্রীড়া ও সংগীত অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে। ভিআইডির দাবি, গত আগস্টে তারা ভেনেজুয়েলা ও পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দুটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের একক স্বত্ব ৭০ লাখ ডলারে কিনেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, চোট না থাকলে মেসির প্রতিটি ম্যাচে অন্তত ৩০ মিনিট মাঠে থাকার কথা ছিল। কিন্তু ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচে মেসিকে মাঠে দেখা যায়নি। তিনি হার্ড রক স্টেডিয়াম-এ পরিবারের সঙ্গে একটি সুইটে বসে খেলা দেখেন। ভিআইডির অভিযোগ, ওই সুইটের খরচও তারা বহন করেছিল। যদিও পরদিন ইন্টার মায়ামি-এর হয়ে আটলান্টা ইউনাইটেড-এর বিপক্ষে ম্যাচে খেলেন এবং দুই গোল করে দলকে ৪-০ জয়ে সহায়তা করেন। পরবর্তীতে পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মেসি খেলেন এবং আর্জেন্টিনা ৬-০ ব্যবধানে জয় পায়। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি মূলত সোলজার ফিল্ড-এ হওয়ার কথা ছিল, যার ধারণক্ষমতা ৬১,৫০০। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেটি সরিয়ে নেওয়া হয় চেজ স্টেডিয়াম-এ, যার ধারণক্ষমতা মাত্র ২১,৫৫০। এতে ভিআইডির দাবি, তাদের ১০ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে। ভেন্যু পরিবর্তনের কারণ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। এএফএর এক কর্মকর্তার দাবি, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর অভিবাসন নীতির কারণে শিকাগোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তবে শিকাগো কর্তৃপক্ষ বলছে, কম টিকিট বিক্রিই ছিল আসল কারণ। ভিআইডির আরও দাবি, ক্ষতি পুষিয়ে দিতে চীনে একটি ম্যাচ আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এএফএ। কিন্তু ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচির কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে আর্থিক ক্ষতি পুনরুদ্ধারের জন্যই তারা আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। মামলার বিষয়ে এখনো লিওনেল মেসি বা আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।























































Discussion about this post