বিনোদন ডেস্ক: হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন অভিনয় ও সংগীত—দুই অঙ্গনেই পরিচিত মুখ মুকুল জামিল। রোববার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে সংগীত ও অভিনয় অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মুকুল জামিলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন অভিনয় ও সংগীতাঙ্গনের অনেকেই। তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘ। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ‘অভিনয়শিল্পী সংঘের সম্মানিত সদস্য মুকুল জামিল ইন্তেকাল করেছেন। তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তাঁর প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’ মুকুল জামিলকে স্মরণ করে সংগীতশিল্পী মিলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘আমার প্রাণপ্রিয় ভাই মুকুল জামিল ভাই এভাবে হঠাৎ চলে যাবেন, এটা আমার জন্য প্রচণ্ড কষ্টের। দেখা হলেই আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরতেন, কপালে চুমু দিতেন।’ মিলন আরও লেখেন, ‘মুকুল ভাই ছিলেন একজন সংগীতশিল্পী। কিন্তু জীবনে প্রথমবার অভিনেতা হিসেবে আমার “সেলফি” গানটিতে মজার ছলে তাঁকে মডেল হিসেবে নিয়েছিলাম। এরপর একে একে আমার অনেকগুলো গানে মুকুল ভাইকে অভিনেতা হিসেবে পেয়েছি।’ ছোটবেলা থেকেই রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি আগ্রহ ছিল মুকুল জামিলের। বোনের হাত ধরে তাঁর সংগীতজীবনের পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৩০টির বেশি মিক্সড অ্যালবামে কাজ করেছেন। পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর একক অ্যালবাম ‘আমি তো এমনই’। মুকুল জামিলের বেশ কিছু গান শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘মন’, ‘আচ্ছা’, ‘বিলবোর্ড’, ‘ভালবাসার মানে’ ও ‘ফাগুনের হাওয়া’। এ ছাড়া তাঁর ‘চায়ের চুমুকে’ গানটি এটিএন বাংলায় প্রচারিত হয়েছে। সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছিলেন মুকুল জামিল। চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ওয়েডিং বেলস’ (২০১৯), ‘আমানুষ’ (২০২২) ও ‘ছাত্রী বউ’ (২০২৪)। সংগীত ও অভিনয়—দুই অঙ্গনেই তাঁর কাজ এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্কের কারণে মুকুল জামিলের মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে সংস্কৃতি অঙ্গনে।























































Discussion about this post