পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। নিজ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগটি তদন্ত করে সত্যতা যাচাইয়ের পর তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন ও প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। ৩১ জুলাই জারি করা ওই আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ১ আগস্ট থেকে মো. জলিলুর রহমানের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে। আদেশে উল্লেখ করা হয়, অফিস সহকারী জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও গত ২৫ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের প্রচলিত শালীনতা, নৈতিকতা ও কর্মক্ষেত্রের শৃঙ্খলা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, অভিযোগের ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা গত ৩০ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ম্যানেজিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত এবং প্রযোজ্য বিধিমালা অনুসরণ করে জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাময়িক বরখাস্তের সময় তিনি প্রচলিত বিধিমালা অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশের অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল, জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, পটুয়াখালী এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, কলাপাড়াসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. জলিলুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘অফিস সহকারী মো. জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
























































Discussion about this post