আন্তরজাতিক ডেস্ক : ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর্জেন্টিনায় পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন আর্জেটিনা একজন বিচারক। মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় ‘ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশন’ নীতির আওতায় এই অনুরোধ হয়েছে। মাদুরো বর্তমানে নিউইয়র্কে বন্দি আছেন। গত মাসে কারাকাস থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে মাদক-সন্ত্রাস ও কোকেন পাচার ষড়যন্ত্রের মামলায় বিচারের মুখোমুখি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর্জেন্টিনার বিচারকরা প্রায়ই অন্য দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মামলা নিয়ে সোচ্চার থাকেন। মাদুরোর বিরুদ্ধে বুয়েন্স আয়ার্সে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হয় ২০২৩ সালে। এতে তার শাসনামলে বিক্ষোভকারী ও রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর কঠোর দমন-পীড়নের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। দেশটির ফেডারেল বিচারক সেবাস্টিয়ান রামোস স্বাক্ষরিত একটি পরোয়ানায় মামলার বাদীদের মধ্যে আছেন, নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হাতে নির্যাতন, আটক এবং অপহরণের শিকার ভেনেজুয়েলার নাগরিকরা। ২০২৩ সালে ভুক্তভোগীদের প্রতিনিধিত্বকারী মানবাধিকার সংস্থাগুলো ‘ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশন’ নীতির আওতায় মামলাটি করে। এই আইনি ধারণা অনুযায়ী, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে গণহত্যা বা সন্ত্রাসবাদের মতো অপরাধে অভিযুক্তদের আর্জেন্টিনার আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে। নিয়ম অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আদালতের অনুরোধটি মার্কিন প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করবে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অনুরোধ রাখার সম্ভাবনা কম। কারণ মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস বর্তমানে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের একটি কারাগারে বন্দি আছেন। গত মাসে তাদের আদালতে তোলা হয়েছিল। পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা মার্চ মাসে।























































Discussion about this post