ঢাকা: নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এমপি পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দিয়ে ২০২৬ সালের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাশেদ খাঁন এক ফেস বুক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন হান্নান মাসউদ হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন, তাই বাতিল হচ্ছে তার এমপি পদ-এমন প্রশ্ন তুলেছেন। দেশের অন্যতম শীর্ষ দৈনিক কালের কণ্ঠে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। তাছাড়া সম্প্রতি হাতিয়ার এমপি আবদুল হান্নান মাসউদকে নিয়ে রাশেদ খাঁনের কিছু বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সোমবার (১৫ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আবদুল হান্নান মাসউদের এমপি পদ নিয়ে তোলা পোস্টটি দৈনিক কালের কণ্ঠ প্রতিবেদনে যোগ করে দেয়। পোস্টে যা আছে তার হল: সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে হলফনামায় অসত্য তথ্য উল্লেখ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন হাতিয়ার এমপি হান্নান মাসউদ। ভবিষ্যতে ব্যবসাবাণিজ্য ও আয়কর রিটার্ন দিতে সুবিধা হবে বলে অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে হলফনামা হান্নান মাসউদকে তার আইনজীবী করার পরামর্শ দিয়েছেন বলে মাসউদ জানিয়েছেন। যদিও তিনি দাবি করেছেন, তার স্থাবর সম্পদ নাই। তার মানে তার হলফনামায় দেওয়া তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের বিষয়ে গত ১১ আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো প্রার্থী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে ভোটের পরেও তদন্ত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে সত্যতা মিললে বাতিল হবে প্রার্থিতা, চলে যাবে সংসদ সদস্য (এমপি) পদ। এটি সুনির্দিষ্টভাবে বিধান আরপিওতে সন্নিবেশ করা হয়েছে।’ আমি হান্নান মাসউদ সম্পর্কে অতীতে যেসব তথ্য দিয়েছি, তা সত্য না কি মিথ্যা, তা হান্নান মাসউদের হলফনামায় দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলেও উত্তর পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে হান্নান মাসউদ দাবি করেছে, সে তার সহধর্মিণীর সেমিস্টার ফি দিয়ে মাহবুব ভাই নামক একজনের থেকে ধার করে। আর নতুন বাড়ি করার জন্য ইদ কিনেছে, কিন্তু ৩ লাখ টাকা এখনো বাকি! টাকার অভাবে শোধ করতে পারছেনা! একজন এমপি এতো গরীব, এতো সৎ! আহারে। হলফনামায় এই সততা কেন ফুটিয়ে তুললেন না তিনি?























































Discussion about this post