আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে এবং পূর্ণ যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। ইতোমধ্যে পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা পুনরায় শুরু করেছে। রয়টার্সের বরাতে সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা চলমান থাকার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ঘোষণা করেন যে ‘অনির্দিষ্টকালীন হামলা বন্ধ’ করেছেন, তখন ইরান এই কৌশলগত পানিপথের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করেছে। এই সপ্তাহের শুরুতে শেষ হওয়ার কথা থাকা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এখনও অনিশ্চিত। ট্রাম্প হঠাৎ করেই নতুন করে সহিংসতার হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর, ঘোষণা করেন যে ইরানের পক্ষ থেকে শান্তি আলোচনায় যে প্রস্তাব আসবে তা বিবেচনা না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি বাড়াবে। তবে ইরানি কর্মকর্তারা যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর কোনো চুক্তির কথা জানাননি এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী দ্বারা ইরানের বাণিজ্যের ওপর আরোপিত অবরোধ বজায় রাখার ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন—যা ইরান ‘যুদ্ধের পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখছে। ইরানের সংসদের স্পিকার ও শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ বলেছেন, পূর্ণ যুদ্ধবিরতি তখনই যুক্তিসঙ্গত হবে যদি নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। কালিবাফ সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া—যা যুদ্ধের আগে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বহন করত—এমন ‘সুস্পষ্ট যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ থাকলে সম্ভব নয়। শান্তি আলোচনা স্থগিত রয়েছে এবং পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এগিয়ে এসেছে, তবে নতুন কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।






















































Discussion about this post