সোনারগাঁ(নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ২০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ চারজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের উদ্ধারে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ড। নিখোঁজ চারজন হলেন—কুমিল্লার হোমনা উপজেলার হেলাল উদ্দিন (৫৫), সজীব (২৪), সামিয়া (১৭) ও পাঁচ বছর বয়সী শিশু সামিন। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য। নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন শুক্রবার সকালে জানান, ঘন অন্ধকারের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার অভিযান স্থগিত রাখা হয়। শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। বর্তমানে তিনজন ডুবুরি নদীতে নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছেন। তবে এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা থেকে গরু-ছাগল ও উপহারসামগ্রী নিয়ে ১৪ জন যাত্রী একটি ট্রলারে করে নারায়ণগঞ্জের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। বেলা আনুমানিক ২টার দিকে ট্রলারটি মেঘনা নদীর সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছালে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় পাশে থাকা ‘আমান কোম্পানি’র একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে রায়েসা বেগম (৪০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আর চারজন নদীতে তলিয়ে যান। সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের দুটি দলও যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।























































Discussion about this post