ঢাকা: দুই দশক পর বরিশাল সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। চলমান নির্বাচনী সফরের অংশ হিসেবে আগামীকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি বেলস পার্ক ময়দানে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন। তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে উপকূলীয় অঞ্চলের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। জনসভা ঘিরে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় ২০ বছর পর আবারও বরিশাল সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। সর্বশেষ তিনি ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পর শীর্ষ নেতার আগমনকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপিতে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে এসেছে। এরই মধ্যে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও একই ধরনের সভা হয়েছে। নেতাকর্মীরা দলের শীর্ষ নেতার নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য-সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, শুধু বিএনপির-অঙ্গ সংগঠনের নয়, সারা বরিশালবাসী জনসভার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। বুধবার দুপুর ২টায় বেলস পার্ক ময়দানে জনসভা শুরু হবে। জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে বিএনপি। এ জনসভা বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে বিএনপির বিজয় ত্বরান্বিত করবে বলে মনে করেন দলটির নেতারা। বরিশাল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন বলেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে তারেক রহমানের বরিশাল আগমন এ অঞ্চলের যে ২১টি আসন রয়েছে, সেই ২১টি আসনের বিজয়কে ত্বরান্বিত করবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও বরিশালে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি উল্লেখ করে নেতারা বলেন, সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বের অভাবে উপকূলীয় এই অঞ্চল পিছিয়ে রয়েছে। বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, একটা বিভাগকে কেন্দ্র করে যা যা উন্নয়নমূলক কাজ তা বিএনপি সরকার করে গেছে। সেই ধারাবাহিকতায় তার সন্তান হিসেবে, মায়ের অসমাপ্ত কাজ উনি সমাপ্ত রবেন, এটা আমরা বরিশালবাসী আশা করি। এ দিকে তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বরিশালের পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, যখন আসবেন একেবারে শুরু থেকেই আমরা সভাস্থলে স্কেলিটন ডিউটি দিয়ে দেবো। তারপর সিটিএসবি এবং ডিবি টিম কাজ করবে। সঙ্গে আমাদের মোবাইল টহল বাড়ছে, আরও বাড়াবো। উল্লেখ্য, তারেক রহমানের এই সফর আগামী নির্বাচনে বিএনপির সাফল্যে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন চলছে আলোচনা।



















































Discussion about this post