আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পশ্চিম উপকণ্ঠের কাছে একটি গুদামে রুশ ড্রোন হামলার পর ভয়াবহ আগুন ও বিস্ফোরণে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো বলেন, এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নিহতদের মধ্যে দিমিত্রিভস্কা গ্রামের মেয়র তারাস দিদিচও রয়েছেন। ইউক্রেনের প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, গুদামটিতে ‘বিস্ফোরক বস্তু’ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সম্ভাব্য অবহেলার অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে সেখানে ঠিক কী ধরনের স্থাপনা বা সামগ্রী রাখা ছিল, সে বিষয়ে কর্মকর্তারা বিস্তারিত জানাননি। ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, ২৮ আগস্ট স্থানীয় সময় রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে একটি ড্রোন কিয়েভের পশ্চিম উপকণ্ঠের মিলা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের এলাকায় আঘাত হানে। এরপর সেখানে ব্যাপক আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং একের পর এক বিস্ফোরণ শুরু হয়। তদন্তে গুদামে বিস্ফোরক সামগ্রী সংরক্ষণ আইনসম্মত ছিল কি না এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ছাড়পত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউটর কার্যালয়। ঘটনাস্থল থেকে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী আকাশে উঠতে দেখা গেছে। শনিবারও সেখানে আগুন জ্বলছিল বলে জানিয়েছে ঘটনাস্থলে থাকা এএফপির সাংবাদিকেরা। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সার্গেই কোরেতস্কি বলেন, কিয়েভের কাছে ভিশনেভে এলাকায় গত জুলাইয়ে একটি গোলাবারুদ গুদামে প্রাণঘাতী হামলার পরও প্রয়োজনীয় শিক্ষা নেওয়া হয়নি। ওই ঘটনার তদন্তে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটির গুরুতর অব্যবস্থাপনার তথ্য উঠে এসেছিল। আবাসিক ভবনের কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত নিরাপত্তা মান মেনে চলেনি। তিনি বলেন, ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পঞ্চম বছরে একই ভুল বারবার করা অপরাধমূলক অবহেলা।’ এ ঘটনায় দায়ীদের সবার কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও আবাসিক এলাকার কাছে গোলাবারুদ সংরক্ষণের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী বাড়িঘর বা অন্য আবাসিক এলাকার কাছে গোলাবারুদ রাখা যায় না। এ ঘটনার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের বিরুদ্ধে দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে। এতে বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের পাশাপাশি বেসামরিক হতাহতের ঘটনাও বেড়েছে।ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পশ্চিম উপকণ্ঠের কাছে একটি গুদামে রুশ ড্রোন হামলার পর ভয়াবহ আগুন ও বিস্ফোরণে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো বলেন, এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নিহতদের মধ্যে দিমিত্রিভস্কা গ্রামের মেয়র তারাস দিদিচও রয়েছেন। ইউক্রেনের প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, গুদামটিতে ‘বিস্ফোরক বস্তু’ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সম্ভাব্য অবহেলার অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে সেখানে ঠিক কী ধরনের স্থাপনা বা সামগ্রী রাখা ছিল, সে বিষয়ে কর্মকর্তারা বিস্তারিত জানাননি। ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, ২৮ আগস্ট স্থানীয় সময় রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে একটি ড্রোন কিয়েভের পশ্চিম উপকণ্ঠের মিলা শহরের একটি প্রতিষ্ঠানের এলাকায় আঘাত হানে। এরপর সেখানে ব্যাপক আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং একের পর এক বিস্ফোরণ শুরু হয়। তদন্তে গুদামে বিস্ফোরক সামগ্রী সংরক্ষণ আইনসম্মত ছিল কি না এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ছাড়পত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউটর কার্যালয়। ঘটনাস্থল থেকে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী আকাশে উঠতে দেখা গেছে। শনিবারও সেখানে আগুন জ্বলছিল বলে জানিয়েছে ঘটনাস্থলে থাকা এএফপির সাংবাদিকেরা। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সার্গেই কোরেতস্কি বলেন, কিয়েভের কাছে ভিশনেভে এলাকায় গত জুলাইয়ে একটি গোলাবারুদ গুদামে প্রাণঘাতী হামলার পরও প্রয়োজনীয় শিক্ষা নেওয়া হয়নি। ওই ঘটনার তদন্তে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটির গুরুতর অব্যবস্থাপনার তথ্য উঠে এসেছিল। আবাসিক ভবনের কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত নিরাপত্তা মান মেনে চলেনি। তিনি বলেন, ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পঞ্চম বছরে একই ভুল বারবার করা অপরাধমূলক অবহেলা।’ এ ঘটনায় দায়ীদের সবার কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও আবাসিক এলাকার কাছে গোলাবারুদ সংরক্ষণের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী বাড়িঘর বা অন্য আবাসিক এলাকার কাছে গোলাবারুদ রাখা যায় না। এ ঘটনার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের বিরুদ্ধে দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে। এতে বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের পাশাপাশি বেসামরিক হতাহতের ঘটনাও বেড়েছে।






















































Discussion about this post