স্পোর্টস ডেস্ক: গত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইন্টার মিলানকে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছিল পিএসজি। এরবার আর্সেনালের রক্ষণভাগে চিড় ধরাতে ঘাম ঝরিয়েছে তারা। পিছিয়ে পড়েও দ্বিতীয়ার্ধের গোলে সমতা ফেরায় তারা। তারপর অতিরিক্ত সময়ে স্কোর সমতায় রেখে টাইব্রেকারে সফল ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। ৪-৩ গোলে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। আর ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেও স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট পেতে হলো আর্সেনালকে। টাইব্রেকারে গন্সালো রামোস ও গিওকেরেস প্রথম শটেই গোল করেন। দুয়ে পিএসজির দ্বিতীয় শটেও সফল। এবেরেচি এজে গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে মেরে আর্সেনালকে হতাশায় ভাসান। মেন্দেসকে রায়া রুখে দিয়ে তাদের ম্যাচে ফেরান। ডেকলান রাইস লক্ষ্যভেদ করেন। হাকিমি ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের হয়ে জাল কাঁপান। মার্তিনেলিও জালের দেখা পান। লুকাস বেরালদি পিএসজির হয়ে চতুর্থ গোল করেন। মাগালহায়েস ক্রসবারের উপর দিয়ে বল মারলে শিরোপা জয়ের আনন্দে ভাসে পিএসজি। ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জিতে খরা কাটিয়েছে আর্সেনাল। কিন্তু ২০০৬ সালের পর প্রথম ফাইনালে উঠে প্রথম ইউরোপীয় মুকুট জেতার অপেক্ষাটা আরও লম্বা হলো। ঠিক ২০ বছর আগে বার্সেলোনার বিপক্ষে তাদের খেলা একমাত্র ফাইনালের মতোই আর্সেনাল এবারও শুরুতেই লিড নিয়েছিল। মার্কিনহোসের একটি ক্লিয়ার করার চেষ্টা আর্সেনাল উইঙ্গার লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের গায়ে লেগে প্রতিহত হয়ে কাই হাভার্টজের সামনে চলে আসে। তিনি প্রায় মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একা দৌড়ে যান এবং একটি দুরূহ কোণ থেকে জোরালো শটে বল জালের ছাদে জড়ান। কিন্তু বার্সেলোনার বিপক্ষে দুই দশক আগে খেলা সেই ফাইনালের মতোই দ্বিতীয়ার্ধে আর্সেনালকে গোল হজম করে সমতায় ফিরতে হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে শিরোপাধারীদের আটকে রাখার পর, অবশেষে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে। ক্রিসথিয়ান মস্কেরা পেনাল্টি বক্সে পিএসজির খভিচা কভারাতসখেলিয়াকে ফাউল করে বসেন।























































Discussion about this post