ঢাকা : চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। যে কোনো দিন রায় ঘেষণা করা হতে পারে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষায় রেখেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে গত ২২ জানুয়ারি দিনভর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। ওই দিন তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে সাক্ষীদের জবানবন্দি, তদন্ত কর্মকর্তার জব্দ করা আলামত ও নথিপত্রসহ বিভিন্ন উপাদান তুলে ধরেন। শুনানিতে প্রসিকিউশন দাবি করে, উপস্থাপিত সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামিদের সরাসরি সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হয়েছে। ওই দিনের কার্যক্রম শেষে আদালত আজ পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেছিলেন। গত ২১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে এই মামলার বর্তমান ধাপটি শুরু হয়। টানা তিন দিনের এই পর্ব শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তিতর্ক শুরু করবেন। এরপরই মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছাবে। মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত ১৪ জানুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনের জেরা সম্পন্ন হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে এ মামলায় মোট ২৫ জনের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ৩০ আসামির মধ্যে বর্তমানে ৬ জন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন– এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ আসামি এখনো পলাতক। পলাতক আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াই করার জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত চারজন আইনজীবী রয়েছেন। গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। এর আগে ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। তদন্ত সংস্থা গত ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় এবং ৩০ জুন আদালত অভিযোগ আমলে নেন।
























































Discussion about this post