স্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘অতীতের পচা রাজনীতি অনুসরণ করার জন্য ২৪-এ যুবকরা লড়াই করে নাই। আগামী ১৩ তারিখ থেকে বাংলাদেশে পরিবর্তনের সূচনা হবে ইনশাআল্লাহ।’ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী কলেজ মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা দেশের সব ধর্মকে ফুলের বাগানের মতো সাজাবো। অতীতের কাঁসুন্দি শেষ। ওগুলো জনগণ এখন শুনতে চায় না। ওগুলো জনগণকে শুনিয়ে শুনিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখে জনগণের কপাল যারা লুণ্টন করেছে, তাদের জায়গা বাংলাদেশে আর হবে না। জামায়াত আমির বলেন, কোনো মামা খালুর লাল টেলিফোনে বা কোনো অ্যানড্রয়েড ফোনে আমার কপাল যেন চোরাবালিতে হারিয়ে না যায়। আমার যোগ্যতা, মেধা অনুযায়ী আমার কাজ আমার হাতে তুলে দিতে হবে। এ দাবি নিয়ে ২৪-এ যুবকরা রাস্তায় নিমেছিল। যুবকেরা কথা দিচ্ছি, আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে তোমাদের হাতকে বাংলা গড়ার কারিগরে পরিণত করবো। তোমাদের হাতে বেকার ভাতা নয়, সম্মানের কাজ তুলে দেবো ইনশাল্লাহ। তোমরাই দেশ গড়বা, তোমরাই চালাবা। সেদিন তোমরা গর্ব করে বলবা, আমিই বাংলাদেশ, আমরাই বাংলাদেশ। এই দেশটাকে তোমাদের হাতে তুলে দিতে চাই, তোমরা কি প্রস্তুত? তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন চলাকালে যখন আমাদের কলিজার টুকরা মেয়েদের গায়ে উচ্ছৃঙ্খল ছেলেরা হাত দিয়েছিল, সেদিন সবাই সমানভাবে যুদ্ধ করেছে। আমরা মায়েদের কথা দিচ্ছি, আমরা আপনাদের সমাজের সবচেয়ে সম্মানিত অংশ হিসেবে মাথায় তুলে নেবো। যে জাতি মাকে সম্মান করে, আল্লাহ তাআলা তাদের সম্মান বৃদ্ধি করে দেয়। যারা সম্মান করে না, তাদের সম্মান তুলে নেওয়া হয়। জামায়াত আমির বলেন, কিছু লোক এখন আমার পেছনে লেগেছে। আমার টুইটার যেটাকে এখন এক্স বলে সেটা হ্যাক করা হয়েছে। এটা স্পষ্ট করার পরও একটি দল এটা নিয়ে ব্যবসা করছে। ছলে বলে কৌশলে যে কোনোভাবে আমাকে জিততে হবে এ ধারণা থেকে বের হয়ে আসেন। পুরোনো দিন থেকে বেরিয়ে আসেন। আমার ভোট আমি দেবো, তোমারটাও আমি দেব- এ দিন শেষ। আর ফিরবে না। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২৪-এর যুবকেরা ঘুমায়নি, জেগে আছে। তারা নিজেদের ভোটের পাহারাদারি করবে। অন্যদের ভোটেরও পাহারাদারি করবে। প্রশাসনের ভাইয়েদের বলবো, সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। কারও কোনো কথা শুনবেন না। মাঘ মাসে যদি মাথা এমন গরম হয় তবে চৈত্র মাসে কী হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনে যারা জয়ী হবে তাদের স্বাগত জানাবো। তিনি বলেন, এই দেশে হাত পাতা মানুষ থাকবে না। কাজ করার মানুষ থাকবে। ৫ বছর পর্যন্ত শিশুদের চিকিৎসা দেবে সরকার। সবাইকে শিক্ষা দেওয়া হবে। আমরা আর খোড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চাই না। মানুষ মানবিক গুনাবলিতে গড়ে না উঠলে দক্ষ হলে সে তার অনৈতিকতা কাজে লাগাবে।



















































Discussion about this post