স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই লিওনেল মেসির সঙ্গে ইংল্যান্ডের তারকা জুড বেলিংহামের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমজুড়ে। বিশেষ করে বেলিংহামের দিকে মেসির তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা ও পরে মাথা নেড়ে সরে যাওয়ার দৃশ্য নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। ম্যাচ শেষে সেই ঘটনার পুরো ব্যাখ্যা দিয়েছেন বেলিংহাম। তার দাবি, বিষয়টি ছিল কেবল একটি ফাউল নিয়ে তর্ক। আটলান্টায় আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল শারীরিক লড়াই, একের পর এক ট্যাকল আর ফাউল। সেই উত্তেজনার মধ্যেই মুখোমুখি হন টুর্নামেন্টের দুই আলোচিত ফুটবলার মেসি ও বেলিংহাম। ম্যাচের শুরুর দিকে এক পর্যায়ে মেসির সঙ্গে তর্ক করতে দেখা যায় বেলিংহামকে। ওই কথোপকথনের শেষ দিকে বেলিংহামের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন মেসি। যা দেখে ভক্ত-সমর্থকদের মাঝে শুরু হয় নানারূপ প্রতিক্রিয়া। তবে ম্যাচ শেষে এটি খোলাসা করেছেন বেলিংহাম নিজেই। ‘আসলে আমরা একটি ফাউল নিয়েই কথা বলছিলাম। এর বাইরে কিছু নয়। আমি জানি, সবাই এটাকে বড় কিছু বানানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু সত্যি বলতে, এখানে বিশেষ কিছু ঘটেনি।’ ‘আমি তখন বলছিলাম, একটু আগে আমার ওপর ফাউল হয়েছিল। তখন সে (মেসি) বলল, ‘তাহলে আমার ওপর হওয়া ফাউলের কী হবে?’ আমি শুধু বলেছিলাম, ‘তুমি তো যথেষ্ট শক্তিশালী, এটা সামলে নিতে পারবে।’ ব্যস, এতটুকুই।’ তবে মাঠের উত্তেজনা ম্যাচের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি ইংল্যান্ড। ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় তারা। শেষ ১০ মিনিট পর্যন্তও সেই লিড ধরে রেখেছিল ইংলিশরা। কিন্তু এই বিশ্বকাপে বারবারের মতো শেষ মুহূর্তে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন করে আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে মেসির পাস থেকে দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির ভাসিয়ে দেওয়া ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন বদলি ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্তিনেজ। ২-১ ব্যবধানে জিতে টানা আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। হারের হতাশা নিয়েও মেসির বিপক্ষে খেলতে পারাকে বিশেষ অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন বেলিংহাম। ‘মেসির বিপক্ষে খেলাটা আমার জন্য অবশ্যই অনেক বড় পাওয়া। তার প্রতি আমার কোনো ধরনের বিরূপ মনোভাব নেই। অবশ্যই হেরে যাওয়াটা খুব কষ্টের। কিন্তু এমন একজনের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারাটাও বড় সম্মানের।’























































Discussion about this post