আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দিতে তুরস্ক প্রস্তুত ছিল বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এজন্য প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে থামানোর পাশাপাশি চীন ও রাশিয়াকেও থামিয়েছেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প। বুধবার (২৪ জুন) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ‘ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। কারণ তিনি ইসরাইলকে খুব একটা পছন্দ করেন না।’ ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ করে এরদোয়ানকে এই সংঘাত থেকে দূরে থাকতে বলেছেন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট সেই অনুরোধ মেনে নিয়েছেন। আঙ্কারার এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং দেশীয়ভাবে উৎপাদিত যুদ্ধবিমানের জন্য প্রয়োজনীয় জেট ইঞ্জিন কেনার অনুরোধে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেবেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি ‘সম্ভবত এমন কিছু করবেন’ যা তুরস্ককে সন্তুষ্ট করবে। এরদোয়ানের প্রতি ‘শ্রদ্ধা জানিয়ে’ তিনি আঙ্কারায় আসন্ন ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ইচ্ছাও নিশ্চিত করেছেন। চীন ও রাশিয়া বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা জানেন, আরেকজন যিনি অসাধারণ ছিলেন, তিনি হলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি [জিনপিং]। তিনি যুদ্ধে যোগ দিতে পারতেন, তিনি তার অর্ধেক তেল ওই এলাকা থেকে পান, এবং আমি বুঝতে পারছিলাম যে তিনি তা করতে চাইছেন, কিন্তু আমি তাকে অনুরোধ করেছিলাম যেন তিনি দূরে থাকেন এবং তিনি তা-ই করেছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘এবং সত্যি বলতে, [রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির] পুতিনও তাই করেছিলেন। আপনি যদি ভালোভাবে দেখেন, তবে বলতে পারেন যে ভ্লাদিমিরের মনোযোগ দেওয়ার মতো অন্য কিছু বিষয় ছিল, কিন্তু তারা সবাই দূরেই ছিলেন। আমার মতে, এটা সত্যিই, সত্যিই আশ্চর্যজনক ছিল।’ মিডল ইস্ট মনিটর























































Discussion about this post