স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবলের যাদুকর লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ আর্জেন্টিনার অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন। তার রয়েছে বর্ণাঢ্য ফুটবল ক্যারিয়ার। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার পেলে, সাড়া জাগানো বিশ্বসেরা ফুটবলার দিয়াগো মেরাডোনার পাশাপাশি জনপ্রিয়তার শীর্ষে আলোচিত ফুটবলার তিনি। লিওনেল মেসি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা। লিওনেল মেসি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার, যিনি আর্জেন্টিনাকে ২০২২ সালের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন করেছেন এবং ক্লাব পর্যায়ে বার্সেলোনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। তার জীবনে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো বার্সেলোনায় অভিষেক, কোপা আমেরিকা জয়, বিশ্বকাপ জয় এবং আটবার ব্যালন ডি’অর অর্জন। লিওনেল মেসির জন্ম ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন। আর্জেন্টিনার রোজারিও জন্ম নেয়া এ কৃতি ফুটবলার শৈশবে গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি ছিল, যা চিকিৎসার মাধ্যমে কাটিয়ে উঠতে হয়েছে। ক্যারিয়ারের সূচনা করেন বার্সেলোনায় অভিষেকের মাধ্যমে ২০০৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে। ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জেতেন এবং গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুট অর্জন করেন। জাতীয় দলের অর্জনে লিওনেল মেসির ভূমিকা অবিস্মরণীয়। তার উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয় করে। কোপা আমেরিকা: ২০২১ সালে প্রথমবার জেতেন। অলিম্পিক স্বর্ণ: ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে। ক্লাব ক্যারিয়ারে লিওনেল মেসি বার্সেলোনায় ১৭ মৌসুমে ৬৭২ গোল, ১০ লা লিগা, ৪ চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ অসংখ্য শিরোপা অর্জন করেন। তাছাড়া পিএসজিতে ৩২ গোল করেছেন দুই মৌসুমে। বর্তমানে ইন্টার মায়ামি-তে খেলছেন তিনি। লিওনেল মেসির ব্যক্তিগত অর্জন অনেক। উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে ব্যালন ডি’অর: রেকর্ড ৮ বার। ছয় বার ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু। একাধিকবার ফিফা দ্য বেস্ট খেলোয়াড়। ব্যক্তিগত জীবন ও রেকর্ডও দারুণ। এ ক্ষেত্রে মেসির সবচেয়ে বেশি ম্যাচে সতীর্থ সহ-খেলোয়াড় ছিলেন সার্জিও বুসকেতস (৬২১ ম্যাচ)। ইনস্টাগ্রামে সর্বকালের সর্বসেরা লাইক পাওয়া পোস্ট ৭ কোটির অধিক রিয়্যাকশন পেয়েছে তার বিশ্বকাপ উদযাপনের ছবি।























































Discussion about this post