ঢাকা: বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুত ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে নতুন স্বপ্ন বুনেছেন দেশের কৃষকরা। এই কার্ডের আওতায় প্রাথমিকভাবে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষক পরিবার পাবেন ভর্তুকি, ঋণ, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধাসহ মোট ১০ ধরনের সুবিধা। কৃষি অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়বে। ফলে দেশে খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জন হবে এবং রফতানির পথও উন্মুক্ত হবে। প্রবীণ কৃষক মালেক মিয়া জানান, সরকারের কোনো অনুদান সাধারণ কৃষকের হাতে ঠিকমতো পৌঁছায় না। তবে কৃষকরা আশায় বুক বেধেছেন বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া কৃষক কার্ড নিয়ে। তারা বলছেন, এই কার্ড কার্যকর হলে কৃষকরা সরাসরি সহায়তা পাবে এবং তার সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে নজরদারি রাখতে হবে। আরও পড়ুন বাড়িতে ঢুকে আমির হামজাকে গুলি করে হত্যা বাড়িতে ঢুকে আমির হামজাকে গুলি করে হত্যা ২৬ মার্চ, ২০২৬ কৃষি খাতে সরকারি ভর্তুকি, ঋণ ও প্রণোদনার সুবিধা সহজে কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে আসন্ন পহেলা বৈশাখে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম। এই কর্মসূচির আওতায় দেশের ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রাথমিকভাবে চার বছরে কৃষক কার্ড বিতরণের জন্য ৬৮১ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সেচ সুবিধাসহ প্রাথমিকভাবে কার্ডের আওতায় ১০ ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে। দেশের ১০টি উপজেলার ১০টি কৃষি ব্লকে পরীক্ষামূলকভাবে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে। কৃষকের আয়, জমির মালিকানা ও আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় তাদের ৫টি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কৃষি অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সঠিকভাবে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে খাদ্য ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের উৎপাদনশীলতা বাড়বে। এতে দেশে খাদ্যে স্বনির্ভরতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রফতানির সুযোগও প্রসারিত হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষকদের ডিজিটাল ডেটাবেজ, স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া, কঠোর তদারকি এবং ভর্তুকি বিতরণে জবাবদিহি নিশ্চিত করলে কৃষক কার্ড কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হবে।





















































Discussion about this post