ঢাকা: চব্বিশের ৫ আগস্টের ইতিহাসে এক ভিন্ন মাত্রার ঘটনা ঘটেছিল সংসদ ভবনে। ওইদিন, সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রায় সাড়ে ১২ ঘণ্টা সংসদ ভবনের বাংকারে আত্মগোপন ছিলেন। ছাত্র-জনতার হাত থেকে বাঁচতে তিনি সেইদিন বাংকারে আশ্রয় নেন। দীর্ঘ সময় আশ্রয় নেওয়ার পর সেখান থেকে বের হয়ে ঢাকার একটি বাসায় আত্মগোপন ছিলেন। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ছাড়া আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিম ও নাজমা আকতারও তার সঙ্গে ছিলেন। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করেছে। আটকের পর ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপির মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার এ এন এম নাসির উদ্দিন আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে তাকে ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে। ঠিক কোন মামলায় বা সুনির্দিষ্ট কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে ডিবির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ডিএমপির যুগ্ন কমিশনার (ডিবি) নাসিরুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে তার আত্মীয় আরিফ মাহমুদ মাসুদ নামে একজনের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী শেখ হাসিনার ভোট চুরির নির্বাচনে জাতীয় সংসদের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল তাকে স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর থেকে টানা এক দশকেরও বেশি সময় তিনি এই পদে আসীন ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে শিরীন শারমিন চৌধুরী আত্মগোপনে চলে যান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তার অনুপস্থিতিতে আরেকটি পার্লামেন্ট কার্যক্রম শুরু করেছে। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল প্রথম স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। ২০১৮ সালের রাতের ভোটে গঠিত সংসদেও স্পিকার ছিলেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি আমি-ডামি নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবার স্পিকার নির্বাচিত করে।























































Discussion about this post