আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ, ভারত ও চীনসহ বিশ্বের অন্তত ১৫টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিরুদ্ধে বিশেষ বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পদক্ষেপের বিস্তারিত জানানো হয়েছে। মূলত ‘সেকশন ৩০১’-এর অধীনে অন্যায্য বাণিজ্যচর্চার অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই তদন্তের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, চীন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো দেশগুলোর ওপর এই তদন্তের ভিত্তিতে আগামী গ্রীষ্মের মধ্যেই নতুন করে শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির একটি বিশেষ অংশ সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল হওয়ার পর এই নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে ওয়াশিংটন। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প যে অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তার মেয়াদ আগামী জুলাই মাসে শেষ হওয়ার কথা। সেই সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তদন্ত সম্পন্ন করে স্থায়ী বা নতুন শুল্ক কাঠামো দাঁড় করাতে চায় বাইডেন প্রশাসন। তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো-সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অন্যায্য পথ অবলম্বন করছে কি না, তা যাচাই করা। যদি কোনো দেশের বিরুদ্ধে এমন প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সেই দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া পণ্যের ওপর চড়া আমদানি শুল্ক চাপিয়ে দেওয়া হবে। বাংলাদেশের মতো উদীয়মান রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য এই তদন্ত এবং সম্ভাব্য শুল্ক আরোপ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা।























































Discussion about this post