স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে ব্রাজিল দলে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। সম্প্রতি ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের স্কোয়াডে জায়গা না পেলেও হাল ছাড়ছেন না তিনি। বরং জাতীয় দলের হয়ে মাঠ মাতাতে নিজের প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন এই ফুটবল মহাতারকা। গত ১৬ মার্চ ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি প্রীতি ম্যাচের দল ঘোষণা করেন। ইনজুরি কাটিয়ে সান্তোসের হয়ে ঘরোয়া ফুটবলে ছন্দে থাকলেও নেইমারকে বিবেচনার বাইরে রাখা হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে সেলেসাওদের জার্সিতে দেখা যায়নি এই রেকর্ড গোলদাতাকে। আনচেলত্তির মতে, নেইমার এখনো আন্তর্জাতিক পর্যায়ের তীব্রতা সামলানোর মতো ‘শতভাগ ফিট’ নন। তবে স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার আক্ষেপ ঝেড়ে ফেলে নেইমার নিজের লক্ষ্যের কথা স্পষ্ট করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি বিশ্বকাপে যেতে চাই। এই লক্ষ্যই আমাকে প্রতিনিয়ত উজ্জীবিত করে। আমি বিশ্বাস করি, যেকোনো উপায়েই হোক আমি ব্রাজিল দলকে সাহায্য করতে পারব। মাঠে আমার সক্ষমতা এবং মান সম্পর্কে আমি অবগত। নেইমারের এমন আকুলতায় ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে খোদ কোচের কণ্ঠেও। ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের জন্য বিশ্বকাপের দরজা এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি বলে মনে করেন আনচেলত্তি। তিনি জানান, পূর্ণ ফিটনেস না থাকায় আপাতত তাকে ডাকা হয়নি, তবে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার প্রেক্ষাপট ভিন্ন হতে পারে। আগামী ১৯ মে ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করার কথা রয়েছে আনচেলত্তির। এর মাঝে নিজের ফিটনেস ও সামর্থ্য প্রমাণের জন্য নেইমারের হাতে সময় আছে প্রায় দুই মাস। এই সময়ে সান্তোসের হয়ে অন্তত ১৫-১৬টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাবেন সাবেক এই বার্সেলোনা ও পিএসজি তারকা। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, নেইমারের জন্য প্রতিটি ম্যাচই এখন জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের একেকটি কঠিন পরীক্ষা বা ‘অডিশন’ হিসেবে কাজ করবে।






















































Discussion about this post