ঢাকা:প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডা. খলিলুর রহমান। আজ বুধবার (২ এপ্রিল) ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন তিনি। তিনি বলেন, আমার জানা মতে, আমাদের পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, মিটিংয়ের সম্ভাবনা আছে। তবে মিটিংটা যে হবেই, আমার জানা মতে সেরকম কিছু বলার নাই। আমি প্রেস কনফারেন্সে দেখেছি। সেই কারণে আমি বলছি, আমাদের আশাবাদী হওয়ার কারণ রয়েছে, যে মিটিংটা হতে পারে। যতক্ষণ না পর্যন্ত হচ্ছে ততক্ষণ আমরা আগ বাড়িয়ে কিছু মন্তব্য করবো না। আগামী ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের বিমসটেকের মূল অনুষ্ঠানের পর সাইডলাইনে বৈঠকটি হতে পারে। এর আগে, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন জানান, বৈঠকের বিষয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ।বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাত দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক জোট বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ৪ এপ্রিল। এ সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডে যাচ্ছেন ড. ইউনূস ও মোদি।সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদি যাতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন, সে জন্য বাংলাদেশ সরকার ভারতকে আগেই কূটনৈতিক নোট পাঠায় অন্তর্বর্তী সরকার। ওই চিঠির প্রতিউত্তরের জন্য অপেক্ষা থাকার কথা জানিয়ে কিছুদিন আগে সরকার থেকে জানানো হয়, বৈঠকটি হলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ‘স্থরিবতা’ কাটার সম্ভাবনা তৈরি হবে।গত ২৫ মার্চ পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, আমরা যেকোনো দেশের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের যে বৈঠক, সেই বৈঠককে আমরা গুরুত্বপূর্ণ মনে করি এবং ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্কের বর্তমান যে প্রেক্ষাপট, সেই প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটিকে আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। এবং আমরা আশা করি যে, যদি এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে যে স্থবিরতা, সেটা কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে থাইল্যান্ডে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংকক যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই সফরে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন।
Discussion about this post