ঢাকা: পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তৎকালীন তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মূলত চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দমাতে ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এই আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে প্রসিকিউশনের প্রারম্ভিক বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য শুরুর জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করে দেন। Play গ্রেপ্তার পলককে এদিন অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আর জয়কে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ চলবে। এসময় পলকের পক্ষে আদালতে অব্যাহতির আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। জয়ের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ওই দিন তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনানোর পাশাপাশি দুই আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানান তাজুল ইসলাম। অভিযোগ ৩টি হলো- জয়ের ‘নির্দেশে’ ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেসবুকে ‘উসকানি’ দেন পলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ‘সশস্ত্র বাহিনী’। এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে ‘মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা’ দেন তারা। একই সঙ্গে হত্যায় সহায়তা করেন আসামিরা। ফলে পুলিশ ও দলীয় ‘সন্ত্রাসী বাহিনীর’ হামলায় রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন শহীদ হন। তিন নম্বর অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা উত্তরায় ৩৪ হত্যায় ‘সহায়তা’ করেন। এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। এরপর ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।






















































Discussion about this post