যে কারণে বাবুল আক্তারের রিমান্ড চায় পুলিশ

10

ঢাকা: পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের প্রধান বনজ কুমার মজুমদারের করা মামলায় পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে থানা পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তসহ তিনটি কারণ দেখিয়ে তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (অপারেশন) রবিউল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে বাবুল আক্তারকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়েছে। এ সময় তাকে রাখা হয় সিএমএম আদালতের হাজতখানায়। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হবে রিমান্ড শুনানি। যে তিন কারণ দেখিয়ে বাবুল আক্তারের রিমান্ড আবেদন বাবুল আক্তার কারাগারে থাকাকালে কীভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপাত্ত বিদেশে থাকা আসামি ইলিয়াসের কাছে সরবরাহ করেছে এবং কার কার সঙ্গে কথা বলেছেন তা জানার জন্য। বাবুল আক্তার কার প্ররোচনায় মিতু হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচারকার্য ব্যাহত করার জন্য ভিডিও প্রকাশে সহযোগিতা করেছে, উক্ত প্ররোচনাকারী ব্যক্তির নাম, ঠিকানা সংগ্রহসহ গ্রেফতারের জন্য। বাবুল আক্তার কারাগারে থাকাকালে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে বাদীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মানহানিকর ভয়েস রেকর্ড প্রস্তুত করেছে কি না, ভিডিওতে থাকা ভয়েস রেকর্ডে বাবুল আকতার বাদী বনজ কুমারের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন মর্মে শোনা যায়, সেই ভয়েস রেকর্ডে থাকা কন্ঠস্বর বাবুল আকতারের কি না বা ভয়েস রেকডের অপর প্রান্তে কে ছিল তা জানা প্রয়োজন। মামলাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে অত্র মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. বাবুল আক্তারকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে প্রদানের আদেশ দানে মর্জি হয়। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন ও পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারসহ চার জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- বাবুল আক্তারের ভাই মো. হাবিবুর রহমান লাবু (৪৫) ও বাবা মো. আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া (৭২)। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।