বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭, ০১:০২:৪৩

রাজনীতিতে সব দলের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: ইইউ

 রাজনীতিতে সব দলের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: ইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউরোপীয় ইউনিয়ন মনে করে, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাটা এখনো বাংলাদেশের জন্য অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। বিরোধী দল শুধু সংসদের বাইরেই নেই, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায়ও তাদের অংশগ্রহণ নেই বললেই চলে। ইউরোপীয় কাউন্সিল গত সোমবার বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে এসব কথা বলা হয়।

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জের জায়গাগুলো চিহ্নিত করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ২০১৫-১৭ মেয়াদে হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের সদস্য।

 

ওই প্রতিবেদন বলছে, অর্থনীতির ধারাবাহিক উন্নয়নে দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থসামাজিক অগ্রগতি হলেও মানবাধিকার সুরক্ষা সংরক্ষণ ও আইনের শাসন—এ দুটি ক্ষেত্রে উন্নতি নেই। নাজুক নিরাপত্তাব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক পরিবেশের সংকোচন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, বিরোধী দল, মানবাধিকারকর্মীদের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক কর্মকাণ্ডসহ লোকজনের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের অব্যাহত অবনতি নিয়ে এখনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্বেগ রয়েছে।

 

প্রতিবেদনে ইইউ জানিয়েছে, রাজনৈতিক সংলাপ, জনকূটনীতি, উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, মানবাধিকার সংগঠন ও মানবাধিকারকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ইইউ নিবিড়ভাবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এতে আরও বলা হয়েছে, বিরোধী দল সংসদের বাইরে এবং বস্তুত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের কোনো প্রভাব নেই, থাকলেও তা খুবই সামান্য। স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় অপরাধের কারণে জামায়াত নেতাদের মৃত্যুদণ্ড ও তাদের সমর্থকদের ওপর সার্বক্ষণিক চাপ অব্যাহত রেখে জামায়াতকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। ২০১৬-এর স্থানীয় নির্বাচন সংঘাতময় ও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

 

বাংলাদেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে বলেও মনে করছে ইইউ। ইউরোপীয় জোটটি মনে করে, গত বছর ধর্মীয় ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিবর্গ ও উপাসনালয়ে হামলা, ব্লগার, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, ধর্মনিরপেক্ষ লোকজনকে গুম ও খুনের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হওয়ায় আইনের শাসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে, যা অবদান রাখছে বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে। বিচার বিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে, নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বিচার বিভাগ সত্যিকারের স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি।

 

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ক্রাইমস ডিনায়াল অ্যাক্ট, সিটিজেনশিপ অ্যাক্টের মতো আইনগুলোর বাস্তবায়ন বাক্‌স্বাধীনতার অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তা ছাড়া সংসদ যে ‘দ্য ফরেইন ডোনেশন (ভলান্টারি অ্যাকটিভিটিজ) রেগুলেশন বিল’ ২০১৬ পাস করেছে, তা সুশীল সমাজের কাজে মারাত্মক সীমাবদ্ধতা তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

 

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০১৬ সালে বাংলাদেশ চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস ল্যান্ড ডিসপুট রেজল্যুশন কমিশন বিলের প্রশংসা করেছে। তারা মনে করছে, এই বিলটি বাস্তবায়িত হলে তা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। শ্রম অধিকারের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের কিছু অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তবে এখনো শ্রম খাতে ন্যায্যতার প্রশ্নে আরও অনেক কিছু করার আছে।

 

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও গণতন্ত্রের উন্নয়নে কাজ করার তাগিদ দিয়েছে ইইউ। এছাড়া দেশের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, মৃত্যুদণ্ড, সংগঠন করার অধিকার, বাকস্বাধীনতা ও সুশীল সমাজের কাজের ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে সংগঠনটি।

এই বিভাগের আরও খবর

  নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন দলবাজ কর্মকর্তাদের সরিয়ে কমিশন পুনর্গঠনেরও দাবি করছি: রিজভী

  বিএনপির মুখে স্বর্ণের দুর্নীতির কথা মানায় না : কাদের

  বিএমডব্লিউ ফেরত দিলেন ওবায়দুল কাদের

  খালেদা জিয়ার চ্যারিটেবল মামলায় যুক্তি উপস্থাপন আগামী ২৪ জুলাই

  ওবায়দুল কাদের সুষ্ঠু ভোট কারচুপির সুষ্পষ্ট আভাস দিলেন: রিজভী

  কটূক্তির মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন

  কোটা সংস্কারের সমাধান সঠিক পথে আছে,আন্দোলন কারীদেরকে আরও ধৈর্য্য ধরতে হবে : কাদের

  সরকার দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে এখানে কথা বলার অধিকার নেই: ফখরুল

  মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে রায় নেই, রায় থাকলেও তা রিভিও করা যেতে পারে: মওদুদ

  আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: রিজভী

  খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি আগামী ৩০ আগস্ট



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন,মাদক সম্রাটতো সংসদেই আছে। তাদেরকে বিচারের মাধ্যমে আগে ফাঁসিতে ঝুলান। আপনি কি একমত?