মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭, ১১:২৯:৫৮

রোহিঙ্গা সংকটের জন্য মিয়ানমারের জেনারেলরাই দায়ী: টিলারসন

রোহিঙ্গা সংকটের জন্য মিয়ানমারের জেনারেলরাই দায়ী: টিলারসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেছেন, রাখাইনের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর বর্বর অভিযানের জন্য মিয়ানমারের জেনারেলরাই দায়ী। তবে তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেবে কি না সে সম্পর্কে কিছু বলেননি টিলারসন।

 

গত ২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের গ্রামে গ্রামে ওই অভিযানে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের মত অপরাধের অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

 

বুধবার ওয়াশিংটনে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনের সমালোচনা করে টিলারসন বলেন, রাখাইনে যেসব সহিংসতার খবর আসছে, বিশ্ব তা দেখেও চুপ করে থাকতে পারে না। রাখাইনের পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দারুণভাবে উদ্বিগ্ন।

 

রোহিঙ্গা সংকটের জন্য তিনি বার্মিজ সেনা কর্মকর্তাদের অভিযুক্ত করে বলেন, ‘দেশটিতে যা ঘটছে সেজন্য আমরা মিয়ানমারের সামরিক নেতৃত্বকেই দায়ী করব।’

 

তিনি  বলেন, ‘মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের নিয়ে যে একটি সমস্যা আছে তা ওয়াশিংটন জানে। কিন্তু সেনাবাহিনীকে অবশ্যই সুশৃঙ্খল থাকতে হবে এবং সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে সংযমের পরিচয় দিতে হবে। সেই সঙ্গে আমাদের ওই এলাকায় যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে, যাতে আমরা পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেতে পারি।’

 

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব অভিযোগ এসেছে, তা যদি সত্যি হয়, তাহলে কাউকে না কাউকে এর দায় নিতে হবে। মিয়ানমারের ভবিষ্যতকে তারা কোন পথে ঠেলে দিতে চায়, তা এখন তাদের সেনা নেতৃত্বের ওপরেই নির্ভর করছে

 

টিলারসন বলেন, ওয়াশিংটন মিয়ানমারকে একটি উদীয়মান গণতন্ত্রের দেশ হিসেবেই দেখে। কিন্তু সেখানে সামরিক-বেসামরিক ক্ষমতা ভাগাভাগির যে মিশ্র সরকার রয়েছে, তার জন্য এই রোহিঙ্গা সঙ্কট একটি অগ্নিপরীক্ষা।

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩ আইনপ্রণেতা পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে লেখা এক চিঠিতে মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন। আর রোহিঙ্গা সঙ্কটের জন্য যারা সুনির্দিষ্টভাবে দায়ী, তাদের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে কড়াকড়ি আরোপের দাবি জানিয়েছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা। টিলারসনকে লেখা ওই চিঠিতে যারা সই করেছেন, তাদের মধ্যে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি ও বিরোধী দলে থাকা ডেমোক্রেটিক পার্টি- দুই দলের কংগ্রেস সদস্যরাই আছেন।

 

দীর্ঘদিন সামরিক শাসনে থাকা মিয়ানমারের ওপর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ছিল। ২০১৫ সালে নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফিরে আসার পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

 

সূত্র: রয়টার্স

 

 

 

 

 

 



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নাগালের বাইরে চলে গেছে। আপনি কি একমত?