শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ,২০২১

Bangla Version

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা থেকে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার জন্য যোগাযোগ করুন (newsroom.somoynews24@gmail.com)

  
SHARE

মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ১২:৫৬:৩১

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব,বুধবার প্রস্তাবের উপর ভোটের দাবী

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব,বুধবার প্রস্তাবের উপর ভোটের দাবী

আন্তর্জাতিক ডেস্কপ্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ আর এক সপ্তাহ। কিন্তু ক্যাপিটলে তাণ্ডবের পর সেটুকু সময়ও আর তাকে দিতে চান না ডেমোক্র্যাটরা। তারা অবিলম্বে ট্রাম্পের বিদায় চান। সেজন্য প্রথমে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল, যাতে তিনি সংবিধান অনুসারে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করে ট্রাম্পকে সরিয়ে দেন। কিন্তু ভাইস প্রেসিডেন্ট এখনো সেরকম কোনো পদক্ষেপ নেননি। রিপাবলিকানরাও এর বিরোধিতা করেছেন। তাই ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব এনেছেন। বুধবার তারা এই প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটি চায়। ট্রাম্পের বিড়ম্বনা বাড়িয়ে দিয়ে রিপাবলিকান সদস্য পিটার মেইজার বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন। তিনি সিএনএন-কে জানিয়েছেন, 'আমি মনে করি, ট্রাম্প শাসন করার যোগ্যতা হারিয়েছেন'। খবর ডয়চে ভেলের ঠিক এই কথাই ডেমোক্র্যাটরা বলছেন। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি জানিয়েছেন, তিনি ভাইস প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছেন, সংবিধানের ২৫ তম সংশোধন অনুসারে ট্রাম্পকে যেন তিনি অবিলম্বে সরিয়ে দেন। রিপাবলিকানরা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন। ফলে সোমবার এ নিয়ে ভোটাভুটি হয়নি। মঙ্গলবার হতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা চাইছেন, বুধবারই ইমপিচমেন্ট নিয়ে ভোটাভুটি হয়ে যাক। তবে ৪৩৫ সদস্যের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হয়ে গেলে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব যাবে সিনেটে। সেখানে দুই তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাব পাস হতে হবে। তাহলেই ট্রাম্পকে সরানো যাবে। সেটা ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে জোগাড় করা শক্ত। কারণ, রিপাবলিকান সিটেনরদের একটা অংশ ইমপিচমেন্টের পক্ষে ভোট না দিলে সেটা সম্ভব নয়। যদি ট্রাম্পকে ইমপিচ করা হয়, তা হলে তিনি আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। ক্যাপিটলের ঘটনার পর প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের। দুই জনেরই পদে থাকার মেয়াদ আর মাত্র এক সপ্তাহ। রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প ও পেন্স তাদের কার্যকালের শেষ সময়টুকু একযোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ক্যাপিটলের ঘটনার পর পেন্স খুবই ক্ষুব্ধ বলে আগে শোনা গেছিল। বলা হচ্ছিল, তার সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। কিন্তু এই সাক্ষাতের পর মনে করা হচ্ছে, নতুন করে আর কোনো বিরোধে জড়াতে চান না ট্রাম্প ও পেন্স। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, ওয়াশিংটনে ১১ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি থাকবে।

https://web.facebook.com/Somoy-news

আজকের প্রশ্ন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন,মাদক সম্রাটতো সংসদেই আছে। তাদেরকে বিচারের মাধ্যমে আগে ফাঁসিতে ঝুলান। আপনি কি একমত?