মঙ্গলবার, ০২ জুন ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১১ মে, ২০২০, ০২:৫১:৪৯

ছাত্রলীগ থেকে বীর সেনানীর জন্ম হয়, তেমনি বিশ্বাসঘাতকেরও : সুমন

ছাত্রলীগ থেকে বীর সেনানীর জন্ম হয়, তেমনি বিশ্বাসঘাতকেরও : সুমন

ঢাকা: দেশের বিভিন্ন অসংগতি নিয়ে ফেসবুকে তৎপর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এবার সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নথি বের করে জালিয়াতি করা ছাত্রলীগের। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী তার ফেসবুকে লিখেছেন, ছাত্রলীগ থেকে যেমন বীর সেনানীর জন্ম হয়, তেমনি বিশ্বাসঘাতকেরও জন্ম হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে লিখেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার প্রয়োজনে এ রকম বিশ্বাসঘাতকরা যেন নেত্রীর আশপাশেও যেতে না পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাই। এ বিষয়ে সোমবার ব্যারিস্টার সুমন এক বার্তায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ধারেকাছে এ রকম বিশ্বাসঘাতকেরা যেন না যেতে পারে, সেই দাবি জানাই সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের দায়িত্বশীলদের প্রতি।  এর আগে গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নথি বের করে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বদলে দেয়ার অভিযোগের মামলায় ছাত্রলীগের একজন নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তরিকুল ইসলাম মুমিন নামে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ওই সহ-সভাপতিসহ তিনজনকে শুক্রবার এই ঘটনায় তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। পুলিশের তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার রুবাইয়াত জামান বলেন, জালিয়াতির এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম বাদী হয়ে ৫ মে তরিকুল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমা ও ফরহাদ নামে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। এই মামলায় তরিকুলকে ভোলা থেকে গ্রেফতার করা হয়। রফিকুল আলমের করা মামলায় বলা হয়, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোষাধ্যক্ষ পদে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এনামুল হক, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফ এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নথি পাঠানো হয়। এই নথি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করার পর তিনি অধ্যাপক ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন। পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নথিটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি পর্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমার কাছে এলে তিনি এম আবদুস সালাম আজাদ অনুমোদন পাননি বলে ফোনে তরিকুলকে জানিয়ে দেন। এরপরেই তরিকুলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কৌশলে বের করে ফরহাদ নামে একজনের হাতে তুলে দেন ফাতেমা। মামলায় বলা হয়, এরপরেই সেই নথিতে তরিকুল ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া টিক চিহ্নটি ‘টেম্পারিং’ করে সেখানে ক্রস চিহ্ন দেন। একইভাবে অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফের নামের পাশে ক্রস চিহ্ন দিয়ে এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন। প্রায় এক মাস আগে নথিটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এই নথি হস্তান্তরের আগে ফাতেমা ১০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করেন এবং হস্তান্তরের পরে আরেক দফায় ১০ হাজার টাকা তার ছেলের বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে নেন বলে মামলায় বলা হয়। প্রায় এক মাস আগের ঘটনা হলেও করোনাভাইরাসের কারণে মামলা দিতে দেরি হয়েছে বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন। এই মামলায় শুক্রবার তরিকুলের সঙ্গে ফরহাদ ও নাজিম উদ্দিন নামে দুজনকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মঈনুল ইসলাম তাদের প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। নাজিম উদ্দিনের নাম মামলার এজাহারে না থাকলেও তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে এসেছে বলে আদালত পুলিশের কর্মকর্তা এসআই ফরিদ মিয়া জানিয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  ভাড়া বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে রিট

  মাস্ক না পরে বাইরে বের হলে কারাদণ্ড ও লাখ টাকা জরিমানা

  তিন মাসের বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব ফি দিতে হবে না

  এসএসসি ও সমমানে পাস ৮২.৮৭ শতাংশ

  স্বপ্নের দেশ ইতালি যাওয়া হলো না ভৈরবের আট যুবকের

  পদ্মা সেতুতে বসলো ৩০তম স্প্যান, দৃশ্যমান সাড়ে ৪ কিলোমিটার

  সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে খুলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: কর্তৃপক্ষ

  ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করে ১ জুন থেকে বাস চালু

  আপনি প্রধানমন্ত্রীর কেবিনেটের সদস্য হয়ে (আপনার) এ ধরনের বেফাঁস কথা মানায় না

  রোববার খুলবে অফিস, ঢাকামুখী মানুষের চাপ নৌরুটে

https://web.facebook.com/Somoy-news

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন,মাদক সম্রাটতো সংসদেই আছে। তাদেরকে বিচারের মাধ্যমে আগে ফাঁসিতে ঝুলান। আপনি কি একমত?