সোমবার, ১৪ জুন ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৬ জুন, ২০২১, ০৪:০১:২৯

‘কঠোর বিধিনিষেধ’ বাড়তে পারে আরও ১০ দিন

‘কঠোর বিধিনিষেধ’ বাড়তে পারে আরও ১০ দিন

 ঢাকা: চলমান ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ আরও ১০ দিন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। আজ রোববার (৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিলে আজ রোববার রাতে আরও ১০ দিন বিধিনিষেধ বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।আজ রবিবার (৬ জুন) মধ্যরাতে চলমান বিধিনিষেধের সময় শেষ হচ্ছে। এরপরই কার্যকরের ঘোষণা আসতে পারে সম্ভব্য ১০ দিনের বিধিনিষেধ।উল্লেখ্য, গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে ৬ দফা লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত ২৩ মে থেকে ৩০ মে রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষকে বসিয়ে সেবা দেওয়ার অনুমতি পায়।বর্তমানে সরকারি বেসরকারি স্বায়ত্বশাসিত অফিস আদালত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বিশেষ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকারের নির্বাহী আদেশে সীমিত পরিসরে খোলা রয়েছে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিধিনিষেধ বাড়ানো বা তুলে দেওয়ার বিষয়ে সরকার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে। কারণ, করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শঙ্কা হয়ে ঝুলে আছে। সবকিছু একেবারে খুলে দিয়ে মানুষের বেপরোয়া আচরণ নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে বিপর্যয় হতে পারে। আবার অফিস-আদালত দীর্ঘদিন বন্ধ করে রাখাও ক্ষতির কারণ হচ্ছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন সরকার। এখন সীমান্ত এলাকাগুলোতে লকডাউন দেওয়া হচ্ছে। সেটা বহাল রাখার সঙ্গে বেশি সংক্রমিত এলাকায় লকডাউন আরোপ করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি পতিপালনের ক্ষেত্রে জোর দেওয়াসহ কিছু বিধিনিষেধ তো থাকবেই।

https://web.facebook.com/Somoy-news

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন,মাদক সম্রাটতো সংসদেই আছে। তাদেরকে বিচারের মাধ্যমে আগে ফাঁসিতে ঝুলান। আপনি কি একমত?