বুধবার, ২৭ মে ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০, ০১:৪২:০০

এবার ঈদেও ঘরের বাইরে যাবেন না তারা

এবার ঈদেও ঘরের বাইরে যাবেন না তারা

বিনোদন ডেস্ক: বছর ঘুরে আবার আসছে ঈদ। প্রতিকূল এই সময়ের সঙ্গে লড়াই করে সবাই চাইছে, মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে; ঘরবন্দি থেকেও প্রিয়জনের সঙ্গে উৎসব আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে। অন্য সবার মতো তারকাদেরও এমনই চাওয়া। তেমনই কয়েকজন তারকার ঘরে থেকে ঈদ উদযাপন নিয়ে এ আয়োজন...

আফরান নিশো: ঈদ এলেই ছোটবেলার কথা ভীষণ মনে পড়ে। হৈ-হুল্লোড়, ছোটাছুটি, মুরব্বিদের কাছ থেকে সেলামি নেওয়া- আরও কত কী। কিন্তু এবারের ঈদ অন্য সবসময়ের চেয়ে আলাদা। এবার ঈদের দিন বাসায় থাকতে হবে। করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে গৃহবন্দি হয়ে আছি। ভেবেছিলাম অচিরেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু তা আর হলো কই। যে জন্য এমন পরিস্থিতি মেনে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। প্রতি ঈদেই লংড্রাইভে যাওয়া আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। এবার তাতে ছেদ পড়ল। তবে বাসায় ঈদ উদযাপন করলেও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করব। এ ছাড়া মিডিয়া সংশ্লিষ্ট প্রিয়মানুষদের সঙ্গে কথা হবে।

মাহিয়া মাহি: পরিচিত সবাই জানে, আমি কোনো কিছুই আগে থেকে পরিকল্পনা করে করি না। মন যখন যা চায়, সেটা নিয়েই মেতে উঠি। কাজের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিই হুটহাট। কিন্তু এবার ঈদ উপযাপন নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হচ্ছে। করোনার কারণে যেহেতু ঘরবন্দি থাকতে হবে, তাই ঈদের দিনটা গৃহিণীদের কাটানোর ইচ্ছা। রান্নাবান্না, প্রিয়জনদের আড্ডা, ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় - এ সবরের মধ্য দিয়েই দিনটা কাটবে। সেইসঙ্গে চেষ্টা করব, ঈদের দিন অসহায় মানুষদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার।

সুমাইয়া শিমু: ছোটবেলার ঈদটা ছিল অন্য রকম মজার। রোজা শুরুর পর থেকে ঈদ যখন আসি-আসি করছে, সে সময় থেকেই শুরু হতো আমাদের উত্তেজনা। আমাদের মানে আমি, আমার বড় বোন শিল্পী ও বড় ভাই তাপস। পরিবারে আমি সবার ছোট। তাই আহদ্মাদ, আবদার ও ঈদের নতুন কাপড় আমার সবই ছিল বেশি। সাত-আটটা নতুন পোশাক পেতাম। আর ঈদ সেলামির কথা কী বলব! ঈদ সেলামির চকচকে টাকা রাখার জন্য আগে থেকেই নতুন ব্যাগ ঠিক করে রাখতাম। সারাদিন কাটত ভাইবোন-বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে হৈ-হুল্লোড় করে। তখন ঈদের দিন বাসায় কেউ ঘুমালে আমার বিস্ময়ের সীমা থাকত না। ভাবতাম, ঈদের দিনে পড়ে পড়ে ঘুমায়, এ আবার কেমন মানুষ বড়ই আজব! কিন্তু এখন আমিই ঈদের দিনে কখনও কখনও ঘুমিয়ে নাক ডাকি। আর এবার যেহেতু কারও সঙ্গে দেখা করার উপায় নেই, তাই ঈদের দিন আমার চিরচেনা এই অভ্যাসের পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

মেহজাবিন চৌধুরী: পরিবারের মানুষদের ছাড়া তো ঈদের কথা ভাবতেই পারিনা। কাছের মানুষদের সঙ্গে দেখা, গল্প-গান-আড্ডায় মেতে উঠা, মাজার সব খাবার খাওয়া, বেড়াতে যাওয়া, দিন শেষে টিভিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখা- এভাবেই ঈদ উপযাপনের পরিকল্পনা থাকে প্রতি বছর। কিন্তু এ সময়টা বড় নিষ্ঠুর হয়ে ধরা দিয়েছে। বন্দি জীবনে ঘরকুনো হয়ে পড়েছি, তাই ঈদের মতো বড় একটি উৎসবে আমরা কে কী করব তা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। তবু একটা পরিধির মধ্যে থেকে যতটা সম্ভব প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার চেষ্টা করব। গান শোনা শোনা, নাটক, টেলিছবি, সিনেমা দেখা, কাছের মানুষদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়- এ সবের মধ্য দিয়েই হয়তো ঈদের দিনটি কাটবে। তবে এই দিনটিতে যেন সব শ্রেণির মানুষের মুখে হাসি থাকে- এটাই মনে প্রাণে প্রার্থনা করি।

সিয়াম আহমেদ: ঈদ এলেই ছোটবেলার সিয়াম হয়ে যেতে চাই। এখনও স্পষ্ট মনে পড়ে শৈশবের কথা। রেজা শুরু হলেই ঈদের জন্য অপেক্ষা থাকত। রঙিন পোশাক পরে ঘুরে বেড়াতাম পাড়া মহলল্গায়। বন্ধুদের সঙ্গে হৈ-হুলেল্গাড়ে কাটত সময়। সেই দিনগুলো এখন বেশ মিস করি। এবারের ঘরবন্দি ঈদ ঢাকায় করব। ঈদে বেশির ভাগ সময় কাটে ঘুমিয়ে। এবারও প্রচুর ঘুমাব। প্রতিবছরই ঈদের দিন প্রিয় মানুষদের সঙ্গে নামাজ পড়তে যাওয়া হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে জামাতে নামাজ পড়া সম্ভব হবে না। আমার প্রিয় পোশাক পাঞ্জাবি। উৎসব আনন্দে পাঞ্জাবি না পরলে কি চলে। পাঞ্জাবির সঙ্গে সিল্গপার পরে কিছু সময় কাটাব। তবে সেটা বাড়িতেই।

আশনা হাবিব ভাবনা:যে কোনো বারের চেয়ে এবারের ঈদ উদযাপন একটু অন্য রকম হতে যাচ্ছে। জীবনের প্রথমবারের মতো ঘরবন্দি ঈদ। সব সময় ঢাকাতেই ঈদ উদযাপন করি। এবার ঈদে বেশি আনন্দ করতে পারব না। কারণ এখন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চলছে। ঘরেই সময় কাটাতে হবে। ঈদে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে ভালো লাগে। তাই অসহায় মানুষদের সাহায্য-সহযোগিতার চেষ্টা করব। এই বিশেষ দিনে প্রিয়জনদের উপহার দিয়ে চমকে দিতে দারুণ পছন্দ করি। এবারও তাদের জন্য থাকবে উপহার। ঈদের দিন সালোয়ার-কামিজ পরতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রিয় পোশাক পরে পরিবারের সব সদস্যের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করব। মায়ের সঙ্গে ঘরের বিভিন্ন কাজ করব। নিজেও মজার মজার রান্নাবান্না করে সবাইকে খাওয়াব।

পরীমনি: একটা লোকগান আছে না, 'আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম?' এই গানের মতো অনেকে হতাশা প্রকাশ করেন অতীত নিয়ে। আমি কিন্তু তাদের দলের না। আমি আশাবাদী মানুষ, বিপদ-আপদ যতই আসুক, আমরা তা জয় করতে পারব- এটাই বিশ্বাস করি। এ জন্য ঈদের দিনটাও প্রতিবারের মতোই প্রিয়জনদের সঙ্গে উৎসবের মতো কাটাতে চাই। এটা ঠিক যে, করোনার কারণে কিছু বিধিনিষেধ মানতেই হবে। তাই বলে আমরা উৎসব মাটি হয়ে যাবে এটা ভুলেও মনে করি না। আগে ঈদগুলোয় কীভাবে আনন্দে মেতেছি তা নিয়েও হতাশা প্রকাশ করতে চাই না। ঘরে থেকেও ধনী-গরিব সবার সঙ্গে আনন্দময় ঈদ উপযাপন করা যায়, এবার সেটাই করে দেখাব।

এই বিভাগের আরও খবর

  ‘ক্রাইম প্যাট্রোল’ অভিনেত্রী প্রেক্ষা মেহতা আত্মহত্যা করেছেন

  বিদ্যা বালানকে পাত্তা দেননি যীশু সেনগুপ্ত!

  অভিনেতা নওয়াজের বিরুদ্ধে স্ত্রীর আরও দুই অভিযোগ

  করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বর্ষীয়ান অভিনেতা কিরণ কুমার

  কঠিন থেকে কঠিনতর হতে চলেছে ক্রিকেটারদের জন্য

  এবার ঈদেও ঘরের বাইরে যাবেন না তারা

  অবশেষে মা-বাবার সাক্ষাৎ পেলেন সালমান খান

  নোংরা ঘরে কোয়ারেন্টাইন, ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন বলিউড অভিনেত্রী পূজা বেদী

  অপূর্বকে জড়িয়ে গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি তিশার

  এই কুরুচিকর মানসিকতা অত্যন্ত ঘৃণ্য, আমরা সবাই ভালো আছি: কোয়েল মল্লিক

  সর্দি-কাশি সারাতে ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই

https://web.facebook.com/Somoy-news

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন,মাদক সম্রাটতো সংসদেই আছে। তাদেরকে বিচারের মাধ্যমে আগে ফাঁসিতে ঝুলান। আপনি কি একমত?