রবিবার, ০১ নভেম্বর ,২০২০

Bangla Version

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা থেকে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার জন্য যোগাযোগ করুন (newsroom.somoynews24@gmail.com)

  
SHARE

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০, ০৪:২২:২৩

দুর্গাপুরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় কাজ করছেন ইউএনও

দুর্গাপুরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় কাজ করছেন ইউএনও

দুর্গাপুর উপজেলা প্রতিনিধি:   স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও অরক্ষিত ও অবহেলায় পড়ে আছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন বধ্যভূমিগুলো। এখনও অনেক চিহ্নিত জায়গা গুলোতে নির্মাণ করা হয়নি কোনো স্মৃতিফলক। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অনেক পরিবর্তন হলেও অত্র এলাকার বধ্যভূমিগুলোর কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় ঐসকল বধ্যভুমি গুলোকে চিহ্নিত করে স্মৃতিফলক নির্মান করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ইউএনও ফারজানা খানম। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, স্মৃতিফলক নির্মান নিয়ে অনেকের মাঝে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপজেলার অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকার সাধারণ মানুষ। স্মৃতিফলক নির্মিত না হওয়ায় অত্র এলাকার ছোট-বড় ৫টি বধ্যভূমির অধিকাংশই হারিয়ে যেতে বসেছে। উপজেলার বিরিশিরি, গাওকান্দিয়া ও কুল্লাগড়া ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী এলাকা বিজয়পুর ও আরাপাড়া এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় এলাকার আলবদর ও রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী নিরীহ ও মুক্তিকামী অসংখ্য বাঙালিকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে এসব বধ্যভূমিতে ফেলে রাখত। ১৯৭১ সালে পাকসেনারা অসংখ্য মা-বোনকে নির্যাতনের পর হত্যা করে বিরিশিরি এলাকায় মাটিতে গনকরব দিতো আবার কিছু লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিতো। অগণিত শহীদের রক্তে ভেজা এসব জায়গা সংরক্ষণের অভাব মুছে যেতে বসেছে। অনেকেই এসব স্থান অবৈধ দখলের পাঁয়তারা করছে।   অবহেলায় পড়ে থাকলেও  নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নতুন উদ্যোগ।  উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার সোহরাব হোসেন তালুকদার বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর বিভিন্ন সময়ে বধ্যভুমি গুলো রক্ষার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে দপ্তরে অনুরোধ জানিয়েছি। অন্য ইউএনও গন চেস্টা করলেও তা বাস্তবে রুপদিচ্ছেন বর্তমান ইউএনও ফারজানা খানম। তিনি অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকা বধ্যভূমিগুলো সংস্কারের যে উদ্দ্যেগ নিয়েছেন এতে আমরা মুক্তিযোদ্ধাগন গর্বিতবোধ করছি। শুধু তাই নয় অত্র এলাকার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সংরক্ষন করার জন্য সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার নিয়ে ছবি সহ একটি বই প্রকাশের যে উদ্দ্যেগ নিয়েছেন তিনি, এতে আমরা মরেও শান্তি পাবো। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা খানম বলেন, আমি গর্বিত এই দেশে জন্মগ্রহন করে। বাংলাদেশে এখনো অনেক  ইতিহাস রয়েছে যা সংরক্ষন করা হয়নি। কালের আবর্তে অনেক মুক্তিযোদ্ধাগন হারিয়ে যাচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উপজেলা পর্যায় থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। জানিনা আমি কতটুকু করতে পারবো। তবে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে জাগয়া গুলো চিহ্নিত করে স্মৃতিফলক তৈরি করায় সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর

  বনপাড়া হাইওয়ে থানার উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং ডে অনুষ্ঠিত

  মহম্মদপুরে বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

  বোয়ালমারীতে ভুয়া জ্বিনের বাদশা গ্রেপ্তার

  কয়েদির পোশাকে মিন্নির ছবি, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

  দিনাজপুরে চেয়ারম্যান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

  ধারাম হাওরে উদ্বোধন করা হলো ভাসমান পথপাঠাগার

  ফ্রান্সে মহানবী( সা:) কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে কাউখালীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ- সমাবেশ

  নওগাঁর পত্নীতলায় আগাম জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান কর্তন উপলক্ষে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

  হাতিয়ায় কোস্টগার্ডের কাছে মাদক ব্যবসায়ী আটক

  আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আজ বসছে পদ্মা সেতুর ৩৫তম স্প্যান

  গ্রাম্য সালিশে মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা

https://web.facebook.com/Somoy-news

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন,মাদক সম্রাটতো সংসদেই আছে। তাদেরকে বিচারের মাধ্যমে আগে ফাঁসিতে ঝুলান। আপনি কি একমত?